সভাপতির বাণী
“শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড। কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় তার নাগরিকরা শিক্ষিত না হলে। Dhaghat School And College সেই শিক্ষার আলো ছড়ানোর একটি পুরনো ও বিশ্বস্ত ঠিকানা। ১৯১৮ সালের ইতিহাস আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে। আমরা চাই এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন বইয়ের বাইরেও জীবনের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও দশের সেবক হিসেবে গড়ে ওঠে। আমি অভিভাবকদের সহযোগিতা ও শিক্ষার্থদের একাগ্রতা প্রত্যাশা করি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার আসনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।”
— সভাপতি,
Dhaghat School And College
ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজ: ১৯১৮ থেকে এক অনন্য যাত্রা
প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:তখন বর্তমান ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের তীব্র স্রোত। অবিভক্ত ভারতের বাংলা প্রদেশের প্রত্যন্ত জনপদ ধলঘাটে শিক্ষার আলো পৌঁছানো ছিল তৎকালীন শিক্ষানুরাগী ও দানবীর ব্যক্তিদের এক ডাক। ১৯১৮ সালের ১ জানুয়ারি অতি সীমিত পরিসরে, মোটামুটি কিছু টিনের চালাঘর আর মাটির মেঝে নিয়ে যাত্রা শুরু করে ধলঘাট উচ্চ বিদ্যালয়। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে এ অঞ্চলের সন্তানদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
নামকরণ ও বিবর্তন:প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় এলাকার নাম অনুসারে—ধলঘাট। স্থানীয়দের মুখে মুখে এটি ‘ধলঘাট স্কুল’ নামেই পরিচিত ছিল। বর্তমানে মাধ্যমিকের পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিক স্তর চালু হওয়ায় নামকরণ করা হয় “ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজ”।
ঐতিহ্য ও কৃতিত্ব:একের পর এক প্রজন্মের পদচারণায় ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজ হয়ে উঠেছে জ্ঞানের এক বিশুদ্ধ পীঠস্থান। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কেবল বোর্ড পরীক্ষাতেই নয়, জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়, ক্রীড়াঙ্গনে আর সংস্কৃতিচর্চায় সুনাম কুড়িয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশেও প্রতিষ্ঠানটি তার গৌরবোজ্জ্বল ধারা অব্যাহত রেখেছে।
বর্তমান অবস্থা:একসময়ের টিনশেড ঘর বর্তমানে পরিণত হয়েছে বহুতল আধুনিক একাডেমিক ভবনে। এখন রয়েছে বিজ্ঞান ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও খেলার মাঠ। ক্লাস ৬ থেকে ১২ পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। স্থাপনার ১০০ বছর পেরিয়ে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজ।
অঙ্গীকার:ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে, অতীতের গৌরব ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মকে গড়ে তোলাই আমাদের ব্রত। আগামীর পৃথিবীতে নিজেদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শিক্ষার্থীরা যেন পায় যথাযথ দিকনির্দেশনা—সেটুকু নিশ্চিত করাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।





